সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। অধিকৃত পশ্চিম তীরের খলিল (হেব্রন) শহরে সাম্প্রতিক হামলার পর গোটা পশ্চিম তীরে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসরাইলি প্রশাসন। এই ঘটনার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার দল লিকুদের সমস্ত নির্বাচনী প্রচারণা বাতিল করে সরাসরি ঘটনাস্থলে যান। নেতানিয়াহুর এই ঘোষণার পর থেকে পুরো অঞ্চলে থমথমে ও চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ঘটনার পরপরই ইসরাইলি বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা শুরু করেছে। হামলার আশপাশের ফিলিস্তিনি বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। একইসঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের টার্গেট করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে চরম বাধা তৈরি করছে।
যদিও মূল হামলার ঘটনাটি রামাল্লা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত খলিলে ঘটেছে—তা সত্ত্বেও এর সরাসরি প্রভাব এসে পড়েছে ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক কেন্দ্র রামাল্লায়। নেতানিয়াহুর ঘোষিত ‘পূর্ণাঙ্গ লকডাউন’-এর আওতায় ইসরাইলি সেনাসদস্যরা রামাল্লা শহরের প্রায় প্রতিটি প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।
হামলার খবর ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই রামাল্লায় ফিলিস্তিনিদের যাতায়াত ও চলাচলের ওপর এই কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। বর্তমানে সাধারণ মানুষদের শহরে ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। মূল কেন্দ্র থেকে দূরে হওয়া সত্ত্বেও রামাল্লাকে এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা।
সূত্র: আল-জাজিরা

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
অধিকৃত পশ্চিম তীরের খলিল (হেব্রন) শহরে সাম্প্রতিক হামলার পর গোটা পশ্চিম তীরে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসরাইলি প্রশাসন। এই ঘটনার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার দল লিকুদের সমস্ত নির্বাচনী প্রচারণা বাতিল করে সরাসরি ঘটনাস্থলে যান। নেতানিয়াহুর এই ঘোষণার পর থেকে পুরো অঞ্চলে থমথমে ও চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ঘটনার পরপরই ইসরাইলি বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা শুরু করেছে। হামলার আশপাশের ফিলিস্তিনি বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। একইসঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের টার্গেট করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে চরম বাধা তৈরি করছে।
যদিও মূল হামলার ঘটনাটি রামাল্লা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত খলিলে ঘটেছে—তা সত্ত্বেও এর সরাসরি প্রভাব এসে পড়েছে ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক কেন্দ্র রামাল্লায়। নেতানিয়াহুর ঘোষিত ‘পূর্ণাঙ্গ লকডাউন’-এর আওতায় ইসরাইলি সেনাসদস্যরা রামাল্লা শহরের প্রায় প্রতিটি প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।
হামলার খবর ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই রামাল্লায় ফিলিস্তিনিদের যাতায়াত ও চলাচলের ওপর এই কঠোর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। বর্তমানে সাধারণ মানুষদের শহরে ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। মূল কেন্দ্র থেকে দূরে হওয়া সত্ত্বেও রামাল্লাকে এভাবে অবরুদ্ধ করে রাখায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা।
সূত্র: আল-জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন