ঢাকা    শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
টিভি ২৬ নিউজ
নোটিশ
  • টিভি ২৬ নিউজ  সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

মার্কিন নির্ভরতা কমাতে তুরস্কের সঙ্গে কানাডার নতুন জোট


TV 26 NEWS ডেস্ক :
TV 26 NEWS ডেস্ক :
প্রকাশ ২২ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:৪০ পিএম
| প্রিন্ট সংস্করণ

মার্কিন নির্ভরতা কমাতে তুরস্কের সঙ্গে কানাডার নতুন জোট

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান দুই দেশের মধ্যে নতুন কৌশলগত অংশীদারত্বের ঘোষণা দিয়েছেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, জ্বালানি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার- এই চারটি প্রধান ক্ষেত্রকে সামনে রেখে তিন বছর মেয়াদি একটি কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করেছেন তারা।

বৃহস্পতিবার দুই নেতার যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, জটিল বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পরিবর্তনশীল মানবিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে কানাডা ও তুরস্কের শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভিন্ন হুমকি মোকাবিলা এবং নতুন সুযোগ কাজে লাগানোর ভিত্তি তৈরি হবে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নির দুই দিনের তুরস্ক সফরের মধ্যেই এ ঘোষণা এল। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমিয়ে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের পরিসর বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে অটোয়া।

বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য আঙ্কারায় কার্নির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। পর্যায়ক্রমে তা প্রথমে ৫ বিলিয়ন এবং পরে ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায় দুই দেশ।

তিনি জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চলতি বছরের শেষ নাগাদ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী মাসে আঙ্কারায় দুই দেশের প্রতিনিধিরা বাণিজ্য আলোচনার প্রথম পর্বে বসবেন।

এরদোয়ান বলেন, কানাডা ও তুরস্কের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বের পর্যায়ে উন্নীত করা কেবল কাগজে-কলমে প্রতীকী কোনও পদক্ষেপ হবে না।

তিনি বলেন, “আজ আমরা তুরস্ক ও কানাডার মধ্যে বহু বছর ধরে চলে আসা দূরত্ব কাটিয়ে উঠেছি। এখন দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি নতুন যুগের সূচনা করছি।”

নতুন কর্মপরিকল্পনায় জ্বালানি সরবরাহ, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন, মহাকাশ ও উড়োজাহাজশিল্প এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়বে নতুন অংশীদারত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। যৌথ বিবৃতিতে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় পর্যায়ে সহযোগিতা গভীর করার অভিপ্রায় পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

ইউরো-আটলান্টিক অঞ্চলসহ এর বাইরেও শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন তারা। এক্ষেত্রে ইউক্রেন, দক্ষিণ ককেশাস এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে গাজার নিরাপত্তা ও পরিস্থিতির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে দুই দেশের। এতে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জ্বালানি সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের জ্বালানিমন্ত্রীরা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), পারমাণবিক জ্বালানি এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ নিয়ে কাজ করবেন। জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণও এ উদ্যোগের অংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা কানাডার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের মধ্যে কানাডা তার আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বহুমুখী করার চেষ্টা করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আরোপ করা শুল্ক, এর প্রতিক্রিয়ায় কানাডার পাল্টা ব্যবস্থা এবং কানাডার সার্বভৌমত্ব নিয়ে ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্য দুই দেশের সম্পর্কে চাপ তৈরি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নতুন বাজার, বিনিয়োগের সুযোগ এবং কৌশলগত অংশীদার খুঁজছে অটোয়া। তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার সেই প্রচেষ্টারই অংশ।

কার্নির এ সফর কানাডার কোনও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপক্ষীয় তুরস্ক সফর। যদিও এর আগে গত জুলাইয়ে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি আঙ্কারা সফর করেছিলেন।

তুরস্ক সফরে এরদোয়ান ও দেশটির অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি ইস্তাম্বুলে তুর্কি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গেও আলোচনার কথা রয়েছে তার। এসব আলোচনায় দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজে বের করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

নতুন কৌশলগত অংশীদারত্বের মাধ্যমে কানাডা ও তুরস্কের সম্পর্ক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জন এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করতে আগামী দিনের আলোচনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াই হবে গুরুত্বপূর্ণ। 

সূত্র: আল-জাজিরা।

বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র তুরস্ক কানাডা বাণিজ্যচুক্তি মার্কিন নির্ভরতা কমাতে তুরস্কের সঙ্গে কানাডার নতুন জোট

আপনার মতামত লিখুন

টিভি ২৬ নিউজ

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


মার্কিন নির্ভরতা কমাতে তুরস্কের সঙ্গে কানাডার নতুন জোট

প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান দুই দেশের মধ্যে নতুন কৌশলগত অংশীদারত্বের ঘোষণা দিয়েছেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, জ্বালানি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার- এই চারটি প্রধান ক্ষেত্রকে সামনে রেখে তিন বছর মেয়াদি একটি কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করেছেন তারা।

বৃহস্পতিবার দুই নেতার যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, জটিল বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পরিবর্তনশীল মানবিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে কানাডা ও তুরস্কের শক্তিশালী ও স্থিতিশীল অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভিন্ন হুমকি মোকাবিলা এবং নতুন সুযোগ কাজে লাগানোর ভিত্তি তৈরি হবে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নির দুই দিনের তুরস্ক সফরের মধ্যেই এ ঘোষণা এল। যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা কমিয়ে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের পরিসর বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে অটোয়া।

বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য আঙ্কারায় কার্নির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান বলেন, বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। পর্যায়ক্রমে তা প্রথমে ৫ বিলিয়ন এবং পরে ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায় দুই দেশ।

তিনি জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চলতি বছরের শেষ নাগাদ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী মাসে আঙ্কারায় দুই দেশের প্রতিনিধিরা বাণিজ্য আলোচনার প্রথম পর্বে বসবেন।

এরদোয়ান বলেন, কানাডা ও তুরস্কের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বের পর্যায়ে উন্নীত করা কেবল কাগজে-কলমে প্রতীকী কোনও পদক্ষেপ হবে না।

তিনি বলেন, “আজ আমরা তুরস্ক ও কানাডার মধ্যে বহু বছর ধরে চলে আসা দূরত্ব কাটিয়ে উঠেছি। এখন দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি নতুন যুগের সূচনা করছি।”

নতুন কর্মপরিকল্পনায় জ্বালানি সরবরাহ, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন, মহাকাশ ও উড়োজাহাজশিল্প এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়বে নতুন অংশীদারত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। যৌথ বিবৃতিতে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় পর্যায়ে সহযোগিতা গভীর করার অভিপ্রায় পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

ইউরো-আটলান্টিক অঞ্চলসহ এর বাইরেও শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন তারা। এক্ষেত্রে ইউক্রেন, দক্ষিণ ককেশাস এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে গাজার নিরাপত্তা ও পরিস্থিতির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা উৎপাদন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে দুই দেশের। এতে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

জ্বালানি সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের জ্বালানিমন্ত্রীরা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), পারমাণবিক জ্বালানি এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ নিয়ে কাজ করবেন। জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণও এ উদ্যোগের অংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা কানাডার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের মধ্যে কানাডা তার আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বহুমুখী করার চেষ্টা করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আরোপ করা শুল্ক, এর প্রতিক্রিয়ায় কানাডার পাল্টা ব্যবস্থা এবং কানাডার সার্বভৌমত্ব নিয়ে ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্য দুই দেশের সম্পর্কে চাপ তৈরি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নতুন বাজার, বিনিয়োগের সুযোগ এবং কৌশলগত অংশীদার খুঁজছে অটোয়া। তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার সেই প্রচেষ্টারই অংশ।

কার্নির এ সফর কানাডার কোনও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দ্বিপক্ষীয় তুরস্ক সফর। যদিও এর আগে গত জুলাইয়ে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তিনি আঙ্কারা সফর করেছিলেন।

তুরস্ক সফরে এরদোয়ান ও দেশটির অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি ইস্তাম্বুলে তুর্কি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গেও আলোচনার কথা রয়েছে তার। এসব আলোচনায় দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজে বের করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

নতুন কৌশলগত অংশীদারত্বের মাধ্যমে কানাডা ও তুরস্কের সম্পর্ক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জন এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করতে আগামী দিনের আলোচনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াই হবে গুরুত্বপূর্ণ। 

সূত্র: আল-জাজিরা।


টিভি ২৬ নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ~ ফোরকানুল হক (সাকিব)

কপিরাইট © ২০২৬ টিভি ২৬ নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত