সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার দুটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট দুই জেলে পালিয়ে যান। পরে জব্দ করা কারেন্ট জাল ও ট্রলার ঘটনাস্থলেই বিনষ্ট করে অপসারণ করা হয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত উপজেলার দিঘিরপাড় ও হাসাইল ইউনিয়নসংলগ্ন পদ্মা নদী এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে সহযোগিতা করে টঙ্গিবাড়ী থানা-পুলিশ। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজোয়ানা চৌধুরী এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নিগার সুলতানা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীতে মাছ ধরা এবং মাছ ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহনের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নদীতে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত প্রায় ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও দুটি ট্রলার পাওয়া যায়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট দুই জেলে পালিয়ে যান।
পরে জব্দ করা কারেন্ট জাল ও ট্রলার ঘটনাস্থলেই বিনষ্ট করে অপসারণ করা হয়। নদীতে মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বিষয় : অভিযান মুন্সীগঞ্জ

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার দুটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট দুই জেলে পালিয়ে যান। পরে জব্দ করা কারেন্ট জাল ও ট্রলার ঘটনাস্থলেই বিনষ্ট করে অপসারণ করা হয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত উপজেলার দিঘিরপাড় ও হাসাইল ইউনিয়নসংলগ্ন পদ্মা নদী এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে সহযোগিতা করে টঙ্গিবাড়ী থানা-পুলিশ। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজোয়ানা চৌধুরী এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নিগার সুলতানা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীতে মাছ ধরা এবং মাছ ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহনের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নদীতে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত প্রায় ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও দুটি ট্রলার পাওয়া যায়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট দুই জেলে পালিয়ে যান।
পরে জব্দ করা কারেন্ট জাল ও ট্রলার ঘটনাস্থলেই বিনষ্ট করে অপসারণ করা হয়। নদীতে মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন