সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। জানুয়ারিতে কিউবার ওপর আরোপ করা মার্কিন তেল অবরোধ লঙ্ঘন করে দেশটিতে জ্বালানি নেওয়া একটি জাহাজকে আটক করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার কোস্ট গার্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সেপ্টেম্বরের শুরুতে ক্যারিবীয় সাগরে ‘এম ভি গ্রেস’ নামের জাহাজটিতে কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ দল তল্লাশি চালায়। তখন জাহাজটি কিউবার দিকে যাচ্ছিল এবং এতে জ্বালানি ছিল।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটি এমন কিছু কৌশল ব্যবহার করছিল, যা সাধারণত ‘ডার্ক ফ্লিট’ বা গোপনে পরিচালিত জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায়। এ ধরনের জাহাজ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য পরিবহনের সময় পণ্যের উৎস, মালিকানা ও গন্তব্য গোপন রাখে।
পরে ‘গ্রেস’কে মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চলের প্রগ্রেসো বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মেক্সিকোর নৌবাহিনী জাহাজটির ব্যালাস্ট ট্যাংকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলে জানিয়েছে মার্কিন কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ড আরো জানায়, চলতি গ্রীষ্মের শুরুতে তারা ‘জাইরা প্রোভাইডার’ নামে আরেকটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়ে সেটি আটক করে। ওই জাহাজেও কিউবায় অবৈধভাবে জ্বালানি নেওয়া হচ্ছিল বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় ফেরার পর ওয়াশিংটন ও হাভানার সম্পর্ক আরো খারাপ হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর কঠোর চাপ বাড়িয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্লোরিডা থেকে মাত্র প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কমিউনিস্ট শাসিত কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের হুমকি।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ওয়াশিংটন কার্যত কিউবার ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ কার্যকর করেছে। এর ফলে প্রায় ৯৪ লাখ মানুষের দেশ কিউবা গভীর অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
জানুয়ারিতে কিউবার ওপর আরোপ করা মার্কিন তেল অবরোধ লঙ্ঘন করে দেশটিতে জ্বালানি নেওয়া একটি জাহাজকে আটক করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার কোস্ট গার্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সেপ্টেম্বরের শুরুতে ক্যারিবীয় সাগরে ‘এম ভি গ্রেস’ নামের জাহাজটিতে কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ দল তল্লাশি চালায়। তখন জাহাজটি কিউবার দিকে যাচ্ছিল এবং এতে জ্বালানি ছিল।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটি এমন কিছু কৌশল ব্যবহার করছিল, যা সাধারণত ‘ডার্ক ফ্লিট’ বা গোপনে পরিচালিত জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায়। এ ধরনের জাহাজ সাধারণত নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য পরিবহনের সময় পণ্যের উৎস, মালিকানা ও গন্তব্য গোপন রাখে।
পরে ‘গ্রেস’কে মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চলের প্রগ্রেসো বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মেক্সিকোর নৌবাহিনী জাহাজটির ব্যালাস্ট ট্যাংকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলে জানিয়েছে মার্কিন কোস্ট গার্ড।
কোস্ট গার্ড আরো জানায়, চলতি গ্রীষ্মের শুরুতে তারা ‘জাইরা প্রোভাইডার’ নামে আরেকটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়ে সেটি আটক করে। ওই জাহাজেও কিউবায় অবৈধভাবে জ্বালানি নেওয়া হচ্ছিল বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় ফেরার পর ওয়াশিংটন ও হাভানার সম্পর্ক আরো খারাপ হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর কঠোর চাপ বাড়িয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্লোরিডা থেকে মাত্র প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কমিউনিস্ট শাসিত কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের হুমকি।
২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ওয়াশিংটন কার্যত কিউবার ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ কার্যকর করেছে। এর ফলে প্রায় ৯৪ লাখ মানুষের দেশ কিউবা গভীর অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন