ঢাকা    শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা    শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
টিভি ২৬ নিউজ
নোটিশ
  • টিভি ২৬ নিউজ  সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।
সর্বশেষ

ভারতের দাবি করা মৃত সেনাকে জীবিত হাজির করল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী


TV 26 NEWS ডেস্ক :
TV 26 NEWS ডেস্ক :
প্রকাশ ০২ অক্টোবর ২০২৬ | ০৩:১৫ পিএম
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ভারতের দাবি করা মৃত সেনাকে জীবিত হাজির করল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী
ভারতের দাবি করা মৃত সেনাকে জীবিত হাজির করল পাকস্তানি সেনাবাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

কাশ্মীরে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন-ভারতের এমন দাবির পর জীবিত অবস্থায় গণমাধ্যমের সামনে হাজির হলেন পাকিস্তানের সাবেক সেনাসদস্য হাবিলদার মুহাম্মদ আসিফ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাওয়ালপিন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তাকে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করেন পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইএসপিআর ডিজি দাবি করেছেন, ভারত আরেকটি ‘ফলস-ফ্ল্যাগ অপারেশন’-এর মাধ্যমে ঘটনাটি তৈরি করেছে। ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, জম্মু ও কাশ্মীরের একটি সংঘর্ষে সাবেক পাকিস্তানি সেনাসদস্য মুহাম্মদ আসিফ নিহত হয়েছেন।

তবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাকে জীবিত অবস্থায় হাজির করে সেই দাবিকে অস্বীকার করেছে।

আইএসপিআর ডিজি জানান, ঘটনাটির সূত্রপাত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে। ওই রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি কর্পস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, কোরাগ ও ইউসমার্গ এলাকায় যৌথ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে একজন ‘সন্ত্রাসীকে’ নিষ্ক্রিয় করার দাবি করা হয়।

এর প্রায় সাত ঘণ্টা পর ভারতীয় সেনাবাহিনী আরেকটি আপডেটে দাবি করে, পালমাইদান এলাকায় যুদ্ধের সরঞ্জামসহ লস্কর-ই-তইবার সদস্য হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এএনআইয়ের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মোহাম্মদ আসিফ ১৯৮০ সালের ৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০০ সালে পিএ-৩১০৬৯৪৭ সার্ভিস নম্বরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং হাবিলদার পদ থেকে অবসর নেন। ২০০৫ সালে তিনি স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপে (এসএসজি) যোগ দেন এবং ৪ কমান্ডো ইয়ালগার ব্যাটালিয়নে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়, ২০০৬ সাল থেকে বেলুচিস্তানে তার পোস্টিং ছিল এবং বেলুচ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১০টি অভিযানে অংশ নেন। তাকে ১৩টি হত্যার কৃতিত্বও দেওয়া হয় বলে এএনআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের ভিভিআইপি নিরাপত্তা দলেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।

এরপর সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআর ডিজি আহমেদ শরিফ চৌধুরী মুহাম্মদ আসিফকে সামনে নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা হয়তো উরি, পেহেলগাম ও পুলওয়ামার কথা মনে করছেন-একটি খুবই মজার গল্প তৈরি করা হচ্ছে, আর এখন সেই গল্প পূর্ণতা পেয়েছে।’

আইএসপিআর ডিজির দাবি, আসিফকে জীবিত অবস্থায় হাজির করার মধ্য দিয়ে কাশ্মীরে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত করার ভারতীয় বর্ণনার ‘ভিত্তিহীনতা’ সামনে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

টিভি ২৬ নিউজ

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


ভারতের দাবি করা মৃত সেনাকে জীবিত হাজির করল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী

প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কাশ্মীরে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন-ভারতের এমন দাবির পর জীবিত অবস্থায় গণমাধ্যমের সামনে হাজির হলেন পাকিস্তানের সাবেক সেনাসদস্য হাবিলদার মুহাম্মদ আসিফ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাওয়ালপিন্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তাকে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করেন পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইএসপিআর ডিজি দাবি করেছেন, ভারত আরেকটি ‘ফলস-ফ্ল্যাগ অপারেশন’-এর মাধ্যমে ঘটনাটি তৈরি করেছে। ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, জম্মু ও কাশ্মীরের একটি সংঘর্ষে সাবেক পাকিস্তানি সেনাসদস্য মুহাম্মদ আসিফ নিহত হয়েছেন।

তবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী তাকে জীবিত অবস্থায় হাজির করে সেই দাবিকে অস্বীকার করেছে।

আইএসপিআর ডিজি জানান, ঘটনাটির সূত্রপাত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে। ওই রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি কর্পস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, কোরাগ ও ইউসমার্গ এলাকায় যৌথ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে একজন ‘সন্ত্রাসীকে’ নিষ্ক্রিয় করার দাবি করা হয়।

এর প্রায় সাত ঘণ্টা পর ভারতীয় সেনাবাহিনী আরেকটি আপডেটে দাবি করে, পালমাইদান এলাকায় যুদ্ধের সরঞ্জামসহ লস্কর-ই-তইবার সদস্য হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এএনআইয়ের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মোহাম্মদ আসিফ ১৯৮০ সালের ৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০০ সালে পিএ-৩১০৬৯৪৭ সার্ভিস নম্বরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং হাবিলদার পদ থেকে অবসর নেন। ২০০৫ সালে তিনি স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপে (এসএসজি) যোগ দেন এবং ৪ কমান্ডো ইয়ালগার ব্যাটালিয়নে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়, ২০০৬ সাল থেকে বেলুচিস্তানে তার পোস্টিং ছিল এবং বেলুচ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১০টি অভিযানে অংশ নেন। তাকে ১৩টি হত্যার কৃতিত্বও দেওয়া হয় বলে এএনআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের ভিভিআইপি নিরাপত্তা দলেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।

এরপর সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিআর ডিজি আহমেদ শরিফ চৌধুরী মুহাম্মদ আসিফকে সামনে নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা হয়তো উরি, পেহেলগাম ও পুলওয়ামার কথা মনে করছেন-একটি খুবই মজার গল্প তৈরি করা হচ্ছে, আর এখন সেই গল্প পূর্ণতা পেয়েছে।’

আইএসপিআর ডিজির দাবি, আসিফকে জীবিত অবস্থায় হাজির করার মধ্য দিয়ে কাশ্মীরে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত করার ভারতীয় বর্ণনার ‘ভিত্তিহীনতা’ সামনে এসেছে।


টিভি ২৬ নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ~ ফোরকানুল হক (সাকিব)

কপিরাইট © ২০২৬ টিভি ২৬ নিউজ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত