সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জার্মানির শীর্ষস্থানীয় এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার। দেশে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) কেন্দ্র স্থাপন এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা চেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার রাজধানীতে নিজের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মন্ত্রী। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে লুফথানসা বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ করতে পারে। বিশেষ করে দেশে এমআরও কেন্দ্র স্থাপনে প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
এভিয়েশন খাতে দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রেও লুফথানসার সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি এ খাতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (এইচআরসিএম) তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যাওয়া কার্গোর ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে।
বিষয় : এভিয়েশন খাত

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জার্মানির শীর্ষস্থানীয় এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার। দেশে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) কেন্দ্র স্থাপন এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা চেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার রাজধানীতে নিজের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মন্ত্রী। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে লুফথানসা বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ করতে পারে। বিশেষ করে দেশে এমআরও কেন্দ্র স্থাপনে প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।
এভিয়েশন খাতে দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রেও লুফথানসার সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি এ খাতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (এইচআরসিএম) তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যাওয়া কার্গোর ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন