সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা ও অভিযানসংক্রান্ত নিবিড় সহযোগিতা বজায় রেখে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ইসরায়েল হায়োম’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল যেকোনো সম্ভাব্য আগাম হামলা কিংবা ইরানের পক্ষ থেকে আসা আক্রমণের জবাব দিতে নিজেদের প্রস্তুত রাখছে। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। তবুও তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে এখনও নিজেদের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে ইসরায়েল।
এদিকে ইসরায়েলি নিউজ ওয়েবসাইট ‘ওয়ালা’ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সংঘাত বৃদ্ধির আশঙ্কায় আগামী কয়েক সপ্তাহে ইসরায়েলে অতিরিক্ত সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানায়, বর্তমানে ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছেন, যারা মূলত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা, পাইলটিং, এবং লজিস্টিকস সহ বিভিন্ন সহায়তামূলক কাজে নিয়োজিত। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রেখে ইসরায়েলি বাহিনী এই আঞ্চলিক উত্তেজনা মোকাবিলার কৌশল তৈরি করছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনেও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান একটি ‘ন্যায্য সমাধান’ অর্জনের লক্ষ্যে কূটনীতির পথ খোলা রাখতে প্রস্তুত। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে ওয়াশিংটনের কাছে সাতটি শর্ত পেশ করেছিল ইরান। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তীতে জানান যে, ওয়াশিংটন ইরানের দেওয়া শর্তগুলো মেনে নেয়নি। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে।
বিষয় : ইরান

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা ও অভিযানসংক্রান্ত নিবিড় সহযোগিতা বজায় রেখে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ইসরায়েল হায়োম’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল যেকোনো সম্ভাব্য আগাম হামলা কিংবা ইরানের পক্ষ থেকে আসা আক্রমণের জবাব দিতে নিজেদের প্রস্তুত রাখছে। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। তবুও তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে এখনও নিজেদের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে ইসরায়েল।
এদিকে ইসরায়েলি নিউজ ওয়েবসাইট ‘ওয়ালা’ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সংঘাত বৃদ্ধির আশঙ্কায় আগামী কয়েক সপ্তাহে ইসরায়েলে অতিরিক্ত সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানায়, বর্তমানে ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছেন, যারা মূলত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা, পাইলটিং, এবং লজিস্টিকস সহ বিভিন্ন সহায়তামূলক কাজে নিয়োজিত। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রেখে ইসরায়েলি বাহিনী এই আঞ্চলিক উত্তেজনা মোকাবিলার কৌশল তৈরি করছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনেও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান একটি ‘ন্যায্য সমাধান’ অর্জনের লক্ষ্যে কূটনীতির পথ খোলা রাখতে প্রস্তুত। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে ওয়াশিংটনের কাছে সাতটি শর্ত পেশ করেছিল ইরান। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তীতে জানান যে, ওয়াশিংটন ইরানের দেওয়া শর্তগুলো মেনে নেয়নি। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন