সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ঢাকার মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় গ্রেফতার আট আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহআলী থানার এসআই মো. আতোয়ার রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত।
মামলায় গত ৪ অক্টোবর আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে আদালত বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন মো. শাহাদাত হোসেন, কাজী মকবুল হোসেন, মো. শাহ আলম, মো. আতিকুর রহমান, মো. কামরুল ইসলাম, মো. নুর আলম, মো. রফিকুল ইসলাম জিন্নাহ ওরফে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন মিশু।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রফিকুল ইসলাম জিন্নাহ ওরফে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, শাহাদাত হোসেন, কাজী মকবুল হোসেন, শাহ আলম, আতিকুর রহমান, কামরুল ইসলাম, সোহেল ও শাকিলকে, ২৮ সেপ্টেম্বর মিলন ও মিন্টুকে, ৩০ সেপ্টেম্বর শহিদুল ইসলামকে, ১ অক্টোবর সাইফুল ইসলাম ও আলমকে এবং ২ অক্টোবর নুর আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে শাহআলী থানা এলাকার রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হ্যামার, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোক প্রবেশ করে। তারা প্রতিষ্ঠানের প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে দায়িত্ব পালনরত দুই নৈশপ্রহরী আন্দ্রিয় সরকার ও মো. আব্দুল হাইকে মারধর করে বেঁধে রাখে।
পরে হ্যামার দিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ভেঙে একটি ভেকু নিয়ে তারা ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর প্রতিষ্ঠানের পূর্ব পাশের একটি সেমিপাকা ঘর, পরিবার পরিকল্পনা সেবার আরেকটি সেমিপাকা ঘর এবং ক্লিনিক ইনচার্জ, চিকিৎসক ও ডেপুটি ক্লিনিক ইনচার্জের সেমিপাকা ঘর ভাঙচুর করা হয়। এসব কক্ষে থাকা আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতিও ভাঙচুর করা হয়।
এ ছাড়া আল্ট্রাসনোগ্রাম, টিকাদান ও ল্যাবরেটরি কক্ষের পাকা ভবনের দরজা-জানালা ভাঙচুর করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ভাঙচুরের পর প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ওষুধ ও সামগ্রী, দুটি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, একটি জেনারেটর, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি ও তিনটি স্টিলের আলমারি নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এ সময় নৈশপ্রহরীদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। পরে সেখানে সমবায় সমিতির ব্যানার ও সাইনবোর্ড লাগিয়ে তারা চলে যায়।
এ ঘটনায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বাদী হয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর শাহআলী থানায় মামলা করেন। মামলায় মো. হানিফ মিয়াকে নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় গ্রেফতার আট আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহআলী থানার এসআই মো. আতোয়ার রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তারের আদালত।
মামলায় গত ৪ অক্টোবর আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে আদালত বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন মো. শাহাদাত হোসেন, কাজী মকবুল হোসেন, মো. শাহ আলম, মো. আতিকুর রহমান, মো. কামরুল ইসলাম, মো. নুর আলম, মো. রফিকুল ইসলাম জিন্নাহ ওরফে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন মিশু।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলায় ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রফিকুল ইসলাম জিন্নাহ ওরফে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, শাহাদাত হোসেন, কাজী মকবুল হোসেন, শাহ আলম, আতিকুর রহমান, কামরুল ইসলাম, সোহেল ও শাকিলকে, ২৮ সেপ্টেম্বর মিলন ও মিন্টুকে, ৩০ সেপ্টেম্বর শহিদুল ইসলামকে, ১ অক্টোবর সাইফুল ইসলাম ও আলমকে এবং ২ অক্টোবর নুর আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে শাহআলী থানা এলাকার রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হ্যামার, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোক প্রবেশ করে। তারা প্রতিষ্ঠানের প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢুকে দায়িত্ব পালনরত দুই নৈশপ্রহরী আন্দ্রিয় সরকার ও মো. আব্দুল হাইকে মারধর করে বেঁধে রাখে।
পরে হ্যামার দিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ভেঙে একটি ভেকু নিয়ে তারা ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর প্রতিষ্ঠানের পূর্ব পাশের একটি সেমিপাকা ঘর, পরিবার পরিকল্পনা সেবার আরেকটি সেমিপাকা ঘর এবং ক্লিনিক ইনচার্জ, চিকিৎসক ও ডেপুটি ক্লিনিক ইনচার্জের সেমিপাকা ঘর ভাঙচুর করা হয়। এসব কক্ষে থাকা আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতিও ভাঙচুর করা হয়।
এ ছাড়া আল্ট্রাসনোগ্রাম, টিকাদান ও ল্যাবরেটরি কক্ষের পাকা ভবনের দরজা-জানালা ভাঙচুর করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ভাঙচুরের পর প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ওষুধ ও সামগ্রী, দুটি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, একটি জেনারেটর, দুটি কম্পিউটার, দুটি প্রিন্টার, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি ও তিনটি স্টিলের আলমারি নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এ সময় নৈশপ্রহরীদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। পরে সেখানে সমবায় সমিতির ব্যানার ও সাইনবোর্ড লাগিয়ে তারা চলে যায়।
এ ঘটনায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বাদী হয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর শাহআলী থানায় মামলা করেন। মামলায় মো. হানিফ মিয়াকে নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন