সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত আরও এক আসামিকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) এসআরবি-৯ সদর দপ্তর, সিলেট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃত নাঈম (২৪) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বাড়িউড়া গ্রামের মোকলেছ মিয়ার ছেলে। তিনি এ মামলার দুই নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানাধীন সাত মসজিদ এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি-৯-এর সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং সিপিসি-২, বসিলা-মোহাম্মদপুরের একটি যৌথ আভিযানিক দল। অভিযানে নাঈমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওই কিশোরী গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৯টার দিকে সরাইলের নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বাড়িউড়া উত্তরপাড়া নিজ গ্রাম থেকে ওয়াজ মাহফিল শোনার জন্য একই গ্রামের সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় যাচ্ছিল। পথিমধ্যে একই গ্রামের জাকির (৩৩), নাইম (২৪), সোহাগ মিয়া (২১), মোকলেস (৩৫), আলামিন ওরফে জিকির (৪০) ও বাহার মিয়া (২২) ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে একটি অটোরিক্সায় উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে গ্রামের লাউহার খালের পাড়সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে জাকির, নাঈম ও সোহাগ তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বাকি তিনজনও ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে রাত ১১ টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাড়ির পাশে রেখে চলে যায় এবং কাউকে কিছু বললে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
কিশোরীর বাবা জানান, ঘটনার কয়েকদিন পর মেয়ে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। পরে স্বজনেরা তাকে চিকিৎসার জন্য সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য (১৫ অক্টোবর) তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসী স্থানীয়ভাবে বিচার পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। বর্তমানে আমার মেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে শনিবার রাতে সরাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধি সংশ্লিষ্ট ধারায় ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এসআরবি-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা কে.এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেফতার নাঈমকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে, শনিবার রাতে মামলার ৬ নম্বর আসামি বাহার মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত আরও এক আসামিকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) এসআরবি-৯ সদর দপ্তর, সিলেট থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃত নাঈম (২৪) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বাড়িউড়া গ্রামের মোকলেছ মিয়ার ছেলে। তিনি এ মামলার দুই নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানাধীন সাত মসজিদ এলাকায় অভিযান চালায় এসআরবি-৯-এর সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং সিপিসি-২, বসিলা-মোহাম্মদপুরের একটি যৌথ আভিযানিক দল। অভিযানে নাঈমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওই কিশোরী গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৯টার দিকে সরাইলের নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বাড়িউড়া উত্তরপাড়া নিজ গ্রাম থেকে ওয়াজ মাহফিল শোনার জন্য একই গ্রামের সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় যাচ্ছিল। পথিমধ্যে একই গ্রামের জাকির (৩৩), নাইম (২৪), সোহাগ মিয়া (২১), মোকলেস (৩৫), আলামিন ওরফে জিকির (৪০) ও বাহার মিয়া (২২) ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে একটি অটোরিক্সায় উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে গ্রামের লাউহার খালের পাড়সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে নিয়ে জাকির, নাঈম ও সোহাগ তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। বাকি তিনজনও ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে রাত ১১ টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাড়ির পাশে রেখে চলে যায় এবং কাউকে কিছু বললে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
কিশোরীর বাবা জানান, ঘটনার কয়েকদিন পর মেয়ে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। পরে স্বজনেরা তাকে চিকিৎসার জন্য সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য (১৫ অক্টোবর) তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসী স্থানীয়ভাবে বিচার পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। বর্তমানে আমার মেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে শনিবার রাতে সরাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধি সংশ্লিষ্ট ধারায় ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এসআরবি-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা কে.এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেফতার নাঈমকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে, শনিবার রাতে মামলার ৬ নম্বর আসামি বাহার মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন