সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। তিলোত্তমা রাজধানী ঢাকা। প্রতিনিয়ত জীবিকার টানে যেখানে ছুটে আসেন লাখো মানুষ। তবে অত্যধিক মানুষের চাপে ভারসাম্য হারাচ্ছে এই শহর। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ভোগাচ্ছে তারেক রহমানের সরকারকেও।
গত ২৫ বছরে সাত ধাপ পেরিয়ে ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল নগর। সামনে রয়েছে শুধু এখন জাকার্তা। আর ২৫ বছর পর এই শহরও ঢাকার পেছনে পড়বে বলে আভাস দিয়েছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টাস ২০২৫’-এ। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় এখন প্রায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ মানুষের বসবাস। এ সময়ে ঢাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির বার্ষিক হার ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
সীমিত পরিসরের ঢাকার সড়ক ব্যবস্থায় বিষফোড়া হয়ে আছে অবৈধ দখল বাণিজ্য। যা সড়কে প্রশস্ততা যেমন কমায়, তেমনি বাড়ায় পথচারীদের যন্ত্রণা।
সাধারণ মানুষ জানান, আমাদের মতো মানুষের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। রাস্তায় সব সময় জ্যাম থাকে, বিশেষ করে গুলিস্তানে। আমরা চাই, সরকার এটার সমাধান দিক।
গেল বৃহস্পতিবার নগরবাসীকে সেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে উদ্ধার অভিযান চালায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি। ধলপুর এলাকার ফুটপাথ দখলমুক্ত করা হয় প্রশাসকের নেতৃত্বে। ভাঙচুর হয় বেশ কিছু দোকানও।
তবে কোনো কিছুতেই রাস্তা ছাড়তে নারাজ ফুটপাথের ব্যবসায়ীরা।
হকাররা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হ্যাঁ ভাঙবো। আমরা লাগামায় কতক্ষণ ভাঙতে পারে আর আমরা কতক্ষণ লাগাইতে পারি এটাও দেখমু। আমাদের তো সংসার আছে, বউ বাচ্চা আছে, ফ্যামিলি আছে। আমাদের নিজেদের চলার তাগিদেই তো আমরা বসি। আমরা তো জানি না যে এখানে এই মোবাইল কোর্ট আসবে। নাইলে আমরা দোকান সরায় দিতাম।
হকাররা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উনারা ভাঙবে আমরা দোকান বসাবো। আমাদের তো সংসার আছে, বউ-বাচ্চা আছে, ফ্যামিলি আছে। আমাদের নিজেদের চলার তাগিদেই তো আমরা বসি।
এদিকে উচ্ছেদের এক সপ্তাহ না পেরুতেই পুনরায় হকারদের দখলে রাজধানীর জিরোপয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো এলাকা। আর গোলাপশাহর’ মাজার থেকে স্টেডিয়াম মার্কেট পুরো সড়কটির যেন মালিকানা বুঝে নিয়েছে হকাররা।
এই উচ্ছেদ অভিযান আসলে কোনো কাজে দিচ্ছে না। হকাররা দাবি করছেন যে, তাদের নির্ধারিত জায়গা বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তারা রাস্তা ছাড়বেন না। কিন্তু উচ্ছেদের পরও কেন বারবার প্রধান সড়কে হকারদের ফিরে আসা?
হকাররা বলেন, অভিযান চালায়, উনারা গেলে আমরা আবার বসি। কী করব? জনদুর্ভোগ করে আমরাও বাঁচতে চাই না। আমাদেরকে সঠিকভাবে, টেকসইভাবে একটা ব্যবস্থা করে দিতে বলেন।
এমন পরিস্থিতিতেও দক্ষিণ সিটি প্রশাসক আব্দুস সালামের মুখে কড়া হুঁশিয়ারি।
আব্দুস সালাম বলেন, একদম এখান থেকে জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে সদরঘাট পর্যন্ত এই রাস্তা আমাদের ক্লিয়ার হতেই হবে। এখানে যদি তারা বসে, যারা বসবে, আবার উচ্ছেদ করা হবে এবং এখন থেকে মামলা হবে। সারা বাংলাদেশের ভাসমান মানুষ সব ঢাকা শহরের দক্ষিণে চলে আসবে। আর সবাইকে কি আমি জায়গা দিতে পারব? রেজিস্টার্ড হকার ছাড়া ঢাকা শহরে কেউ থাকতে পারবে না।
পরিকল্পিত নগরায়ণে সুস্পষ্ট মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে নগরবাসী।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
তিলোত্তমা রাজধানী ঢাকা। প্রতিনিয়ত জীবিকার টানে যেখানে ছুটে আসেন লাখো মানুষ। তবে অত্যধিক মানুষের চাপে ভারসাম্য হারাচ্ছে এই শহর। বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ভোগাচ্ছে তারেক রহমানের সরকারকেও।
গত ২৫ বছরে সাত ধাপ পেরিয়ে ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল নগর। সামনে রয়েছে শুধু এখন জাকার্তা। আর ২৫ বছর পর এই শহরও ঢাকার পেছনে পড়বে বলে আভাস দিয়েছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টাস ২০২৫’-এ। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় এখন প্রায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ মানুষের বসবাস। এ সময়ে ঢাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির বার্ষিক হার ২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
সীমিত পরিসরের ঢাকার সড়ক ব্যবস্থায় বিষফোড়া হয়ে আছে অবৈধ দখল বাণিজ্য। যা সড়কে প্রশস্ততা যেমন কমায়, তেমনি বাড়ায় পথচারীদের যন্ত্রণা।
সাধারণ মানুষ জানান, আমাদের মতো মানুষের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি। রাস্তায় সব সময় জ্যাম থাকে, বিশেষ করে গুলিস্তানে। আমরা চাই, সরকার এটার সমাধান দিক।
গেল বৃহস্পতিবার নগরবাসীকে সেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে উদ্ধার অভিযান চালায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি। ধলপুর এলাকার ফুটপাথ দখলমুক্ত করা হয় প্রশাসকের নেতৃত্বে। ভাঙচুর হয় বেশ কিছু দোকানও।
তবে কোনো কিছুতেই রাস্তা ছাড়তে নারাজ ফুটপাথের ব্যবসায়ীরা।
হকাররা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হ্যাঁ ভাঙবো। আমরা লাগামায় কতক্ষণ ভাঙতে পারে আর আমরা কতক্ষণ লাগাইতে পারি এটাও দেখমু। আমাদের তো সংসার আছে, বউ বাচ্চা আছে, ফ্যামিলি আছে। আমাদের নিজেদের চলার তাগিদেই তো আমরা বসি। আমরা তো জানি না যে এখানে এই মোবাইল কোর্ট আসবে। নাইলে আমরা দোকান সরায় দিতাম।
হকাররা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উনারা ভাঙবে আমরা দোকান বসাবো। আমাদের তো সংসার আছে, বউ-বাচ্চা আছে, ফ্যামিলি আছে। আমাদের নিজেদের চলার তাগিদেই তো আমরা বসি।
এদিকে উচ্ছেদের এক সপ্তাহ না পেরুতেই পুনরায় হকারদের দখলে রাজধানীর জিরোপয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো এলাকা। আর গোলাপশাহর’ মাজার থেকে স্টেডিয়াম মার্কেট পুরো সড়কটির যেন মালিকানা বুঝে নিয়েছে হকাররা।
এই উচ্ছেদ অভিযান আসলে কোনো কাজে দিচ্ছে না। হকাররা দাবি করছেন যে, তাদের নির্ধারিত জায়গা বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তারা রাস্তা ছাড়বেন না। কিন্তু উচ্ছেদের পরও কেন বারবার প্রধান সড়কে হকারদের ফিরে আসা?
হকাররা বলেন, অভিযান চালায়, উনারা গেলে আমরা আবার বসি। কী করব? জনদুর্ভোগ করে আমরাও বাঁচতে চাই না। আমাদেরকে সঠিকভাবে, টেকসইভাবে একটা ব্যবস্থা করে দিতে বলেন।
এমন পরিস্থিতিতেও দক্ষিণ সিটি প্রশাসক আব্দুস সালামের মুখে কড়া হুঁশিয়ারি।
আব্দুস সালাম বলেন, একদম এখান থেকে জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে সদরঘাট পর্যন্ত এই রাস্তা আমাদের ক্লিয়ার হতেই হবে। এখানে যদি তারা বসে, যারা বসবে, আবার উচ্ছেদ করা হবে এবং এখন থেকে মামলা হবে। সারা বাংলাদেশের ভাসমান মানুষ সব ঢাকা শহরের দক্ষিণে চলে আসবে। আর সবাইকে কি আমি জায়গা দিতে পারব? রেজিস্টার্ড হকার ছাড়া ঢাকা শহরে কেউ থাকতে পারবে না।
পরিকল্পিত নগরায়ণে সুস্পষ্ট মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে নগরবাসী।

আপনার মতামত লিখুন