সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে ফোরকানুল হক (সাকিব) সম্পাদিত " TV 26 NEWS " আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সব খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অর্থ লেনদেনে অনিয়মসহ একাধিক অভিযোগে ১ বছর আগেই ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ‘সাথী’ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা শিবিরের পৃথক তিনটি চিঠিতে তার পদ স্থগিত ও পরবর্তীতে তা বাতিলের আনুষ্ঠানিক নথিপত্র পাওয়া গেছে।
বুধবার বিকেলে রাবি শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ মুন্সীর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে শিবিরের সেই চিঠিগুলো সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছায়।
প্রথম চিঠিটি ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ইস্যু করা হয়। তৎকালীন রাবি শিবিরের সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রাবি শাখার সাথী সালাউদ্দীন আম্মার কর্তৃক সাম্প্রতিক সময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে, যা দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনজনিত বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়ে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের সেক্রেটারিয়েট মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার সাথী পদ স্থগিত করা হলো।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় চিঠিতে জানানো হয়, বারবার সংশোধন হতে বলা সত্ত্বেও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বহির্ভূত কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি তার সাথী পদটি চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছেন।
সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই রাবি শিবিরের বর্তমান সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত তৃতীয় চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মৌলিক ইবাদতে উদাসীনতা, অনৈতিক লেনদেন, মেয়েদের সাথে অবাধ বিচরণ এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে শিবিরের জনশক্তিকে আম্মারের যেকোনো অনলাইন-অফলাইন কার্যক্রমে প্রতিক্রিয়া না দেখাতে এবং দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ না রাখার আহ্বান জানানো হয়।
বিষয়টি সামনে এনে ফেসবুকে রাবি শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ মুন্সী লিখেছেন, বহিষ্কৃত কোনো জনশক্তির সাথে শিবির বা জামায়াত কোনো যোগাযোগ রাখে না। এখন কথা হলো, জামায়াত নেতা খালিদুজ্জামান কি জানেন তুমি শিবির থেকে বহিষ্কৃত, নাকি রানিং শিবির পরিচয় দিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করো—সেটা পরিষ্কার করো।
অভিযোগ ও প্রকাশ হওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তবে চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের বর্তমান সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান জানান, চিঠির নথিপত্রগুলো সম্পূর্ণ সত্য এবং তাকে ২০২৫ সালেই সংগঠন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অর্থ লেনদেনে অনিয়মসহ একাধিক অভিযোগে ১ বছর আগেই ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ‘সাথী’ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা শিবিরের পৃথক তিনটি চিঠিতে তার পদ স্থগিত ও পরবর্তীতে তা বাতিলের আনুষ্ঠানিক নথিপত্র পাওয়া গেছে।
বুধবার বিকেলে রাবি শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ মুন্সীর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে শিবিরের সেই চিঠিগুলো সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছায়।
প্রথম চিঠিটি ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ইস্যু করা হয়। তৎকালীন রাবি শিবিরের সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রাবি শাখার সাথী সালাউদ্দীন আম্মার কর্তৃক সাম্প্রতিক সময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে, যা দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনজনিত বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়ে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের সেক্রেটারিয়েট মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার সাথী পদ স্থগিত করা হলো।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় চিঠিতে জানানো হয়, বারবার সংশোধন হতে বলা সত্ত্বেও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বহির্ভূত কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি তার সাথী পদটি চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছেন।
সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই রাবি শিবিরের বর্তমান সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত তৃতীয় চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মৌলিক ইবাদতে উদাসীনতা, অনৈতিক লেনদেন, মেয়েদের সাথে অবাধ বিচরণ এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে শিবিরের জনশক্তিকে আম্মারের যেকোনো অনলাইন-অফলাইন কার্যক্রমে প্রতিক্রিয়া না দেখাতে এবং দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ না রাখার আহ্বান জানানো হয়।
বিষয়টি সামনে এনে ফেসবুকে রাবি শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ মুন্সী লিখেছেন, বহিষ্কৃত কোনো জনশক্তির সাথে শিবির বা জামায়াত কোনো যোগাযোগ রাখে না। এখন কথা হলো, জামায়াত নেতা খালিদুজ্জামান কি জানেন তুমি শিবির থেকে বহিষ্কৃত, নাকি রানিং শিবির পরিচয় দিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করো—সেটা পরিষ্কার করো।
অভিযোগ ও প্রকাশ হওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। মুঠোফোনে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তবে চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের বর্তমান সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান জানান, চিঠির নথিপত্রগুলো সম্পূর্ণ সত্য এবং তাকে ২০২৫ সালেই সংগঠন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন